বড় বোন মাঝে মাঝে ফোন করে বিরক্ত হয়ে বলে - “এখানে ওয়েদারটা ভাল যাচ্ছে না, বরফ পড়ছে গত কয়দিন ধরে।” শুনি আর ভাললাগা নিয়ে ভাবতে থাকি-“ইশ, কি সুন্দর!”। কখনো বরফ পড়তে দেখিনি বলেই হয়ত বরফ পড়া নিয়ে একটা ফ্যান্টাসি আছে মনের মাঝে। বিদেশী ক্লাসিকগুলোর মধ্যে ছোটবেলায় মনে হয় সবচেয়ে বেশী পড়েছি রাশিয়ান বই। এখন নামও মনে পড়েনা। ওদের গল্পগুলোর ধরণ আমাদের গল্পগুলোর মত ছিলনা বলে খুব একটা ভাল বুঝতামওনা। তবু বরফ নিয়ে আমার ফ্যান্টাসিটা শুরু মনে হয় ওখান থেকেই। আমি যখন এই হাল্কা শীতেও ভারি ভারি গরম কাপড় পরে ঘরে বসে থাকতাম, আমার গল্পের ভাস্কা, সেরিওজা, লিদা-রা তখন বরফ হয়ে থাকা নদীর উপর দিয়ে হাল্কা পায়ে দৌড়ে যেত, স্নো বল ছুঁড়ে মারত এ ওর গায়ে, আর স্কী করতে ছুটে যেত পাশের ফাঁকা মাঠটায়। আমিও তখন মাফলার গলায় হাঁচতে হাঁচতে ওদের সাথে হারিয়ে যেতাম কল্পনায়।
ভাবতে ভাল লাগে- কাঠের একতলা একটা বাড়ি। বার্চ, পাইন আরো সব গাছে ভর্তি চারপাশ। চারদিক বরফে সাদা হয়ে আছে। বাড়ির চালাটা আর কাঠের বলে বোঝা যায়না। বাইরে কুচিকুচি মিহিদানার মত বরফ পড়ছে। ফায়ারপ্লেসের পাশে বসে আছি কফির কাপ হাতে। ঠান্ডায় হাত বের করা ও দায়!
স্বপ্নের মত মনে হয়...
Sunday, December 23, 2007
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
1 comment:
আপনার অনুভূতিবোধের তীক্ষ্নতার প্রশংসা করছি। আপনি সত্যিই পারবেন। নিজেকে পেরিয়ে যাওয়ার যে প্রচেষ্টা আপনার মধ্যে আমি লক্ষ্য করছি তা অবশ্যই একদিন সফল হবে।
স্বাধীন
www.bd71.tk
Post a Comment