
একটা সবুজ রঙের সেলোয়ার
জয়িতা,
একটা কোনমতে টিকে থাকা সংসার
জয়িতা,
একটা নড়বড়ে সিঁড়ি বেয়ে তিনখানা ঘর
জয়িতা,
ডাক্তার লেন ১০৪।
বাবা তার পেনশন নিয়ে ঘরে পঙ্গু
জয়িতা
মা তার গেছে হারিয়ে আকাশে
জয়িতা
ছোটভাই আছে অভিনেতা হবে
জয়িতা
ডাক্তার লেন ১০৪।
তাই বয়েসের সাথে সাথে বাড়ছে দায়িত্ব
জয়িতা
পড়তে বসেনা সে আর তার জানালায়।
ইশকুল থেকে নাম কাটা গেছে গতমাসে,
জয়িতা
এখন সে সুরুচিতে রান্না করতে যায়।
ইংরাজিতে পেত একশ’তে তিরাশি
জয়িতা
জ্যামিতিতে চিরকাল উনআশি
জয়িতা
তাই মাঝে মাঝে রাত্তিরে কান্না পেয়ে যায়
জয়িতা
ডাক্তার লেন ১০৪।
রোজ সাতসকালে উঠে কাজে চলে যেতে হয়
জয়িতা
সবুজ রঙের সেলোয়ার, ছেঁড়া চটি পায়,
ষোল বছরেই সে স্বাবলম্বী
জয়িতা
ডাক্তার লেন ১০৪।
আমি উলটো দিকের জানালায় বসে
জয়িতা
সঙ্গী আমার একটা গিটার
জয়িতা
কখন যে মনে মনে চেয়েছি তোমাকে জয়িতা
কখন যে গেয়ে ফেলি আরো একটা গান
ডাক্তার লেন ১০৪।
জয়ি জয়ি জয়ি জয়িতা আমার
ডাক্তার লেন ১০৪।
জয়ি জয়ি জয়ি জয়িতা আমার...
......
অঞ্জনের এই মন খারাপ করা গানটা শুনেছি খুব বেশিদিন হয়নি। জয়িতার সাথে কোথায় জানি একটা মিল পাই নিজের, তাই খুব আপন মনে হয় জয়িতাকে। ১০৪ ডাক্তার লেনের সেই তিনখানা ঘরও নিজের মনে হয় অনেক। আজ জিজ্ঞেস করেছিলাম এক বন্ধুকে, যে জয়িতার মত একটা মেয়েকে সে কখনো নিজের সঙ্গি করে নিতে পারত কি না। উত্তর ছিল ‘মনে হয় না...’ । কেন যেন খারাপ লাগল। মনে মনে ভাবছিলাম আমি ছেলে হলে কি অমন সারাদিন জয়ির জন্য উলটো দিকের জানালায় বসে অপেক্ষা করতে পারতাম? গান লিখে যেতে পারতাম?
ভাল লাগছেনা।
মনটা খারাপ।
গানটা শুনতে শুনতে আরেকটু খারাপ হল।
জয়িতা,
একটা কোনমতে টিকে থাকা সংসার
জয়িতা,
একটা নড়বড়ে সিঁড়ি বেয়ে তিনখানা ঘর
জয়িতা,
ডাক্তার লেন ১০৪।
বাবা তার পেনশন নিয়ে ঘরে পঙ্গু
জয়িতা
মা তার গেছে হারিয়ে আকাশে
জয়িতা
ছোটভাই আছে অভিনেতা হবে
জয়িতা
ডাক্তার লেন ১০৪।
তাই বয়েসের সাথে সাথে বাড়ছে দায়িত্ব
জয়িতা
পড়তে বসেনা সে আর তার জানালায়।
ইশকুল থেকে নাম কাটা গেছে গতমাসে,
জয়িতা
এখন সে সুরুচিতে রান্না করতে যায়।
ইংরাজিতে পেত একশ’তে তিরাশি
জয়িতা
জ্যামিতিতে চিরকাল উনআশি
জয়িতা
তাই মাঝে মাঝে রাত্তিরে কান্না পেয়ে যায়
জয়িতা
ডাক্তার লেন ১০৪।
রোজ সাতসকালে উঠে কাজে চলে যেতে হয়
জয়িতা
সবুজ রঙের সেলোয়ার, ছেঁড়া চটি পায়,
ষোল বছরেই সে স্বাবলম্বী
জয়িতা
ডাক্তার লেন ১০৪।
আমি উলটো দিকের জানালায় বসে
জয়িতা
সঙ্গী আমার একটা গিটার
জয়িতা
কখন যে মনে মনে চেয়েছি তোমাকে জয়িতা
কখন যে গেয়ে ফেলি আরো একটা গান
ডাক্তার লেন ১০৪।
জয়ি জয়ি জয়ি জয়িতা আমার
ডাক্তার লেন ১০৪।
জয়ি জয়ি জয়ি জয়িতা আমার...
......
অঞ্জনের এই মন খারাপ করা গানটা শুনেছি খুব বেশিদিন হয়নি। জয়িতার সাথে কোথায় জানি একটা মিল পাই নিজের, তাই খুব আপন মনে হয় জয়িতাকে। ১০৪ ডাক্তার লেনের সেই তিনখানা ঘরও নিজের মনে হয় অনেক। আজ জিজ্ঞেস করেছিলাম এক বন্ধুকে, যে জয়িতার মত একটা মেয়েকে সে কখনো নিজের সঙ্গি করে নিতে পারত কি না। উত্তর ছিল ‘মনে হয় না...’ । কেন যেন খারাপ লাগল। মনে মনে ভাবছিলাম আমি ছেলে হলে কি অমন সারাদিন জয়ির জন্য উলটো দিকের জানালায় বসে অপেক্ষা করতে পারতাম? গান লিখে যেতে পারতাম?
ভাল লাগছেনা।
মনটা খারাপ।
গানটা শুনতে শুনতে আরেকটু খারাপ হল।
2 comments:
:)
Post a Comment